২০২৫ সালের ব্ল্যাক ফ্রাইডে ও সাইবার উইকে শুধু যুক্তরাষ্ট্রেই অনলাইন বিক্রি দাঁড়িয়েছে ৪৪.২ বিলিয়ন ডলারে, আর সেখানে ছুটির মৌসুমের অনলাইন কেনাকাটার অর্ধেকের বেশি হয়েছে ফোন থেকে। অথচ বেশিরভাগ ইউজার সকাল ৯টায় একই “৫০% পর্যন্ত ছাড়” পুশ পেয়েছেন। আরও বড় ডিসকাউন্ট দিলেও আপনি সেই ভিড় থেকে আলাদা হতে পারবেন না।
বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গে নভেম্বর এমনিতেই সেলের মাস: Daraz-এর ১১.১১ সেলের পরপরই আসে ব্ল্যাক ফ্রাইডে। ক্রেতারা তখন অফারে অভ্যস্ত, তাই আরেকটা “ছাড়” মেসেজ সহজেই হারিয়ে যায়। নিচে থাকছে ১৩টি ব্ল্যাক ফ্রাইডে মার্কেটিং আইডিয়া, যা শুধু ডিসকাউন্ট পাঠানোর চেয়ে এগিয়ে, প্রতিটির সাথে Pushwoosh-এ কিভাবে বাস্তবে চালু করবেন তা। সাথে ১টি টেস্ট, যা দেখাবে কোন আইডিয়া সত্যিই আপনাকে টাকা এনে দিয়েছে (মানে আপনার ক্যাম্পেইন কাজ করেছে তার প্রমাণ)।
🔥 ব্ল্যাক ফ্রাইডের আগে: চাহিদা তৈরি করুন
সেলের আগের সপ্তাহটাই ঠিক করে দেয়, শুক্রবার কে আপনার মেসেজ খুলবে। এই সময়টা কাজে লাগান বিশ্বস্ত কাস্টমারদের পুরস্কৃত করতে আর যাদের কেনার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি, তাদের কাছে অফার পৌঁছে দিতে।
আইডিয়া ১: সেরা কাস্টমারদের আর্লি অ্যাক্সেস দিন
আপনার শীর্ষ RFM কাস্টমারদের জন্য সেল ২৪–৪৮ ঘণ্টা আগে খুলে দিন। RFM মানে Recency, Frequency, Monetary: কে কত সম্প্রতি, কত ঘন ঘন আর কত টাকার কেনাকাটা করেন। অর্থাৎ যারা প্রায়ই কেনেন আর সবচেয়ে বেশি খরচ করেন। তারা নিজেদের বিশেষ মনে করবেন, আর শুক্রবারের ভিড়ের আগেই লোড ভাগ হয়ে যাবে। সাথে চাহিদার একটা আগাম ধারণাও পাবেন: সেরা ক্রেতারা কেমন সাড়া দিচ্ছেন, তা দেখেই বোঝা যাবে ব্ল্যাক ফ্রাইডেতে কী আশা করবেন।
🛠️ কিভাবে করবেন: RFM সেগমেন্টেশন দিয়ে সবচেয়ে বিশ্বস্ত কাস্টমারদের খুঁজে বের করুন। তারপর কাস্টমার জার্নি বিল্ডারে একটি audience-based জার্নি শিডিউল করুন, তাতে থাকবে একটি পুশ ও একটি ইমেইল: “আপনি তালিকায় আছেন। আপনার জন্য ব্ল্যাক ফ্রাইডে শুরু কাল সকাল ৮টায়।”
আইডিয়া ২: এমন কুপন দিন, যা হারায় না
ইমেইলের প্রোমো কোড পরদিনই চাপা পড়ে যায়। কিন্তু Apple Wallet বা Google Wallet-এ রাখা কুপন কাস্টমারের কার্ডগুলোর পাশেই থাকে, আর কাউন্টারে ১ ট্যাপেই খুলে যায়।
🛠️ কিভাবে করবেন: জার্নি থেকেই সরাসরি ব্ল্যাক ফ্রাইডে কুপন ওয়ালেট পাস হিসেবে ইস্যু করুন: জার্নি পাসটি তৈরি করে, আর পরের পুশ বা ইমেইল Apple বা Google Wallet-এ সেভ করার লিংক পৌঁছে দেয়।
প্রো টিপ: ধাপটিতে Apple ও Google দুটো ক্যাম্পেইনই সিলেক্ট করুন এবং মেসেজে দুটো লিংকই দিন; নইলে Android ইউজাররা এমন লিংক পাবেন যা খোলে না। বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গে অনেক ইউজারই Android ব্যবহার করেন, তাই Google Wallet লিংক বাদ পড়লে আপনার অডিয়েন্সের একটা বড় অংশ কুপন পাবেন না।
আইডিয়া ৩: অ্যাপ আইকনকে ব্ল্যাক ফ্রাইডে মোডে নিন
ব্ল্যাক ফ্রাইডেতে সব ব্র্যান্ড একই কয়েক সেকেন্ডের মনোযোগের জন্য লড়ে, তাই ব্র্যান্ডের ছোট ছোট খুঁটিনাটিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। অ্যাপ আইকন তার একটি: ইউজার প্রতিবার ফোন আনলক করলেই এটা দেখেন। ব্ল্যাক ফ্রাইডে ভার্সনের আইকন একটা মেসেজ পড়ার আগেই জানিয়ে দেয়, সেল চলছে।
🛠️ কিভাবে করবেন: অ্যাপ আইকন পরিবর্তন ফিচার দিয়ে custom data-সহ একটি পুশ পাঠিয়ে দূর থেকেই আইকন বদলে দিন।
🛒 ব্ল্যাক ফ্রাইডের দিন: ঠিক মুহূর্তে ক্রেতাকে ধরুন
সেলের দিনে সব ব্র্যান্ডই মেসেজ পাঠায়। নিচের আইডিয়াগুলো জেতে ঠিক জায়গায়, ঠিক সময়ে হাজির হয়ে।
আইডিয়া ৪: দোকানের পাশ দিয়ে গেলে ক্রেতাকে মেসেজ দিন
ব্ল্যাক ফ্রাইডেতে আপনার দোকান থেকে ২ ব্লক দূরে থাকা ক্রেতা অর্ধেক কাজ নিজেই করে ফেলেছেন। তাকে ভেতরে আসার একটা কারণ দিন।
🛠️ কিভাবে করবেন: আপনার দোকানগুলোর চারপাশে জিওজোন এঁকে দিন। জিওজোন হলো ম্যাপে আঁকা একটা ভার্চুয়াল সীমানা (রেডিয়াস ৫০ মি থেকে ১০০ কিমি, ডিফল্ট ২০০ মি)। ইউজার কোনো জোনে ঢুকলেই জার্নি শুরু হবে: “আমাদের Main St. স্টোর থেকে আপনি মাত্র ২ মিনিট দূরে। আজ এই কোড দেখালে পাবেন অতিরিক্ত ১৫% ছাড়।”
প্রো টিপ: শুধু জোনে প্রবেশ নয়, dwell-এ ট্রিগার করে দেখুন। dwell টাইমার শুধু গাড়িতে পাশ দিয়ে চলে যাওয়া মানুষদের বাদ দেয় আর ধরে তাদের, যারা সত্যিই কাছাকাছি থেমেছেন। এর জন্য লোকেশন অ্যাক্সেস লাগে, তাই সেলের সপ্তাহের আগেই পরিষ্কার কারণ জানিয়ে অনুমতি চেয়ে নিন।
আরও গভীরে: জিওফেন্সিং মার্কেটিং প্লেবুক
আইডিয়া ৫: সেল ব্যানার দিয়ে অ্যাপের স্ক্রিন দখল করুন
ইন-অ্যাপ মেসেজের জন্য পুশ পারমিশন লাগে না, তাই যারা নোটিফিকেশন বন্ধ রেখেছেন তাদের কাছেও এটা পৌঁছায়। ব্ল্যাক ফ্রাইডেতে এরাই প্রায়ই আপনার সবচেয়ে সক্রিয় অডিয়েন্স: তারা নিজে থেকেই অ্যাপ খোলেন।
🛠️ কিভাবে করবেন: দিনের প্রথমবার অ্যাপ খোলার সময়, অথবা ইউজার কোনো নির্দিষ্ট স্ক্রিনে (যেমন হোম ফিড বা ক্যাটাগরি পেজ) এলে একটি ফুলস্ক্রিন ইন-অ্যাপ মেসেজ দেখান। ১টি ব্যানার, ১টি অফার, সেলে যাওয়ার ১টি বাটন।
আইডিয়া ৬: ডিল শেষ হওয়ার কাউন্টডাউন দেখান
টিক টিক করা ঘড়ি “হয়তো এই উইকেন্ডে” কে বানিয়ে দেয় “পরের ৩ ঘণ্টার মধ্যে”। এটাই সবচেয়ে সস্তায় জরুরি ভাব আনার উপায়।
🛠️ কিভাবে করবেন:
- ওয়েবসাইটে: মধ্যরাত পর্যন্ত চলা কাউন্টডাউন ব্লকসহ একটি ওয়েব পপআপ।
- ইমেইলে: ড্র্যাগ-এন্ড-ড্রপ ইমেইল বিল্ডারের একই কাউন্টডাউন ব্লক, যাতে প্রতিটি ব্ল্যাক ফ্রাইডে ইমেইলে আসল ডেডলাইন দেখা যায়।
প্রো টিপ: টাইমার শূন্যে পৌঁছালে ভিজিটর কী দেখবেন, আগেই ঠিক করে রাখুন। থেমে থাকা 00:00:00-এর চেয়ে “সেল শেষ, তবে এগুলো এখনও চলছে” অনেক বেশি বিক্রি আনে।
ইমেইলের আরও ফরম্যাট: ব্ল্যাক ফ্রাইডে ইমেইল ক্যাম্পেইন
আইডিয়া ৭: প্রতিটি ক্রেতাকে আলাদা ওয়ান-টাইম প্রোমো কোড দিন
সবার জন্য একই BLACKFRIDAY30 কোড কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই কুপন সাইট আর ফেসবুক গ্রুপে ছড়িয়ে পড়ে। ওয়ান-টাইম কোড লিক হয় না, আর ঠিক কোন মেসেজ থেকে কোন কেনাকাটা এসেছে তা দেখিয়ে দেয়।
🛠️ কিভাবে করবেন: কোডগুলো CSV হিসেবে Vouchers-এ আপলোড করে একটি কোড পুল তৈরি করুন। তারপর মেসেজে {{voucher}} প্লেসহোল্ডার যোগ করুন এবং জার্নিতে পুলটি বেছে নিন। প্রত্যেক প্রাপক পুশ, ইমেইল, SMS, WhatsApp বা LINE-এ নিজের আলাদা কোড পাবেন। পুরো ফ্লো দেখতে স্মার্ট কুপন জার্নি দেখুন।
প্রো টিপ: যত কোড লাগবে মনে করছেন, তার চেয়ে বেশি আপলোড করুন। পুল খালি হয়ে গেলে মেসেজ আর যায়ই না।
আইডিয়া ৮: পুশ থেকেই সরাসরি কার্টে যোগ করার সুযোগ দিন
পুশ আর কেনাকাটার মাঝে প্রতিটি বাড়তি ট্যাপে ক্রেতা হারান। অ্যাকশনটা নোটিফিকেশনের ভেতরেই রাখুন।
🛠️ কিভাবে করবেন: ডিলের ছবি আর অ্যাকশন বাটনসহ একটি রিচ পুশ নোটিফিকেশন পাঠান: “কার্টে যোগ করুন” এবং “সব ডিল দেখুন”। প্রতিটি বাটন নিজের ডিপ লিংক খোলে, তাই “কার্টে যোগ করুন” ইউজারকে এমন কার্টে নিয়ে যেতে পারে যেখানে পণ্যটি আগে থেকেই রাখা।
সেলের জন্য আরও পুশ কৌশল: ব্ল্যাক ফ্রাইডে পুশ নোটিফিকেশন: BFCM বিক্রির জন্য আপনার গোপন অস্ত্র
আইডিয়া ৯: প্রতিটি ডিল অ্যাপের Inbox-এ রেখে দিন
ব্ল্যাক ফ্রাইডেতে একটা পুশ মাত্র কয়েক সেকেন্ড টেকে, তারপরই অন্য ব্র্যান্ডের নোটিফিকেশন তাকে চাপা দেয়। যে ইউজার সকাল ৯টায় আপনার ডিল সোয়াইপ করে সরিয়ে দিয়েছেন, রাত ১০টায় কেনার জন্য তৈরি হলে সেটা আর খুঁজে পাওয়ার উপায় থাকে না।
🛠️ কিভাবে করবেন: আপনার ডিলগুলো Message inbox-এ পাঠান, যা এখন পুশ, ইমেইল ও SMS-এর পাশাপাশি একটি আলাদা চ্যানেল হিসেবে কাজ করে। কাস্টমার জার্নি বিল্ডারে মেসেজটি সরাসরি ইনবক্সে যায় এবং ওয়েব ও মোবাইল দুই ধরনের ইউজারের কাছেই পৌঁছায়।
আপনার ঠিক করা মেয়াদ শেষ না হওয়া পর্যন্ত প্রতিটি ডিল অ্যাপে থেকে যায়, তাই দেরিতে আসা ক্রেতারাও স্ক্রল করে অফারটি খুঁজে পান।
আইডিয়া ১০: পুশ না পৌঁছালে ইমেইল বা SMS-এ যান
সবার পুশ চালু থাকে না, অথচ ব্ল্যাক ফ্রাইডেতে তাদের হাতছাড়া করার সুযোগ নেই। আবার দুপুরের আগেই ৬টা প্রোমো পেতেও কেউ চান না।
🛠️ কিভাবে করবেন: প্রতিটি মেসেজের আগে একটি Reachability check (ইউজারকে কোন চ্যানেলে পাওয়া যাবে তার যাচাই) যোগ করুন: প্রথমে পুশ, পুশ না থাকলে ইমেইল, আর SMS শুধু সেই হাই-ভ্যালু কাস্টমারদের জন্য, যাদের অন্য কোনোভাবে পাওয়া যায় না।
প্রো টিপ: এরপর frequency capping চালু করুন, যাতে সব ক্যাম্পেইন মিলিয়ে একজন ইউজার দিনে কতগুলো মেসেজ পাবেন তার সীমা থাকে। (আনসাবস্ক্রাইব রেট আপনাকে ধন্যবাদ দেবে।)
💻 সাইবার মানডে ও তার পরে: দেরিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া ক্রেতাদের কনভার্ট করুন
কিছু ক্রেতা পুরো উইকেন্ড দাম তুলনা করে সোমবার কেনেন। কেউ কেউ কার্টে পণ্য রেখে চলে যান। সপ্তাহের এই অংশের কাজ হলো সেই বিক্রিগুলো সম্পন্ন করা, এমন মানুষদের ডিসকাউন্ট না দিয়ে, যারা এমনিতেই কিনতেন।
আইডিয়া ১১: ডেডলাইন দিয়ে ব্ল্যাক ফ্রাইডের কার্ট ফিরিয়ে আনুন
ব্ল্যাক ফ্রাইডেতে ফেলে যাওয়া কার্টের সাথে একটা ডেডলাইন আগে থেকেই আছে: সেল শেষ সোমবার রাতে। সেটা কাজে লাগান।
🛠️ কিভাবে করবেন:
১. ইভেন্ট দিয়ে শুরু করুন। cart_abandoned ইভেন্টে একটি trigger-based এন্ট্রি সেট করুন। কার্টে পণ্য রেখে যাওয়া প্রত্যেক ক্রেতা জার্নিতে ঢুকবেন।
২. রিমাইন্ডার পুশ পাঠান। “আপনার কার্ট এখনও অপেক্ষা করছে, ব্ল্যাক ফ্রাইডের দামও।”
৩. কেনাকাটার জন্য অপেক্ষা করুন। Wait for trigger যোগ করুন। ইউজার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কিনলে জার্নি থেকে বেরিয়ে যাবেন। না কিনলে পরের ধাপে যাবেন।
৪. সোমবার সকালে ইমেইল। কার্ট, দাম আর ডেডলাইন: “আজ রাত ১২টায় শেষ।”
আরও পড়ুন: অ্যাবান্ডনড কার্ট পুশ নোটিফিকেশন
আইডিয়া ১২: ইউজার যা ব্রাউজ করেছেন, তার ভিত্তিতে পছন্দের পণ্য পাঠান
যারা ব্রাউজ করেছেন কিন্তু কেনেননি, তারা আসলে জানিয়েই দিয়েছেন কী চান। সেই পণ্যগুলো আবার দেখান, এবার সাইবার মানডের দামে।
🛠️ কিভাবে করবেন: আপনার Product catalog কানেক্ট করুন এবং ইমেইলে একটি Products ব্লক যোগ করুন, যা প্রত্যেক ইউজারের দেখা ক্যাটাগরির পণ্য দিয়ে ভরে যাবে।
🤑 প্রমাণ করুন, আপনার ব্ল্যাক ফ্রাইডে ক্যাম্পেইন সত্যিই কাজ করেছে
প্রতি বছর মার্কেটিং টিমগুলো হিমশিম খেয়ে ব্ল্যাক ফ্রাইডে পার করে: বাড়তি পুশ, বাড়তি ইমেইল, বাড়তি ডিসকাউন্ট।
সব চার্ট ওপরে ওঠে, তাই প্রতিটি ক্যাম্পেইনকেই সফল মনে হয়। তারপর জানুয়ারি আসে, আর কেউ বলতে পারেন না এর মধ্যে আসলে কোনটা লাভ এনেছে, কিংবা ক্রেতাদের কতজন এমনিতেই কিনতেন।
এই বছর প্রথম দিন থেকেই মাপা শুরু করুন। একই পদ্ধতি পরের ঈদ বা পহেলা বৈশাখের সেলেও কাজে লাগবে।
আইডিয়া ১৩: একটি কন্ট্রোল গ্রুপ আলাদা রাখুন
Pushwoosh-এ জার্নিতে মাত্র ১টি বাড়তি এলিমেন্ট যোগ করলেই বুঝতে পারবেন কোন ক্রেতারা আপনার মেসেজের কারণে এসেছেন, আর কারা এমনিতেই কিনতেন।
🛠️ কিভাবে করবেন: ব্ল্যাক ফ্রাইডে জার্নির এন্ট্রির ঠিক পরেই একটি Holdout Split যোগ করুন এবং ৫–১০% ক্রেতাকে আলাদা রাখুন। এই হোল্ডআউট গ্রুপ জার্নি থেকে বেরিয়ে যায় এবং কিছুই পায় না, বাকি সবাই আপনার মেসেজ পান।
কেনাকাটা (purchase)-কে কনভার্শন গোল হিসেবে সেট করুন, তাহলে Goal uplift vs holdout রিপোর্ট লঞ্চের পরদিন থেকেই ২টি গ্রুপের তুলনা দেখাবে।
Pushwoosh দিয়ে আপনার ব্ল্যাক ফ্রাইডে ক্যাম্পেইন চালু করুন
ওপরের সব আইডিয়া চলে ১টি প্ল্যাটফর্মে: সেগমেন্ট, কোড পুল, Wallet পাস, জিওজোন, ইন-অ্যাপ মেসেজ, Inbox, আর কন্ট্রোল গ্রুপ, যা দেখায় কোনটা কাজ করেছে।
আপনার অডিয়েন্সের সাথে মেলে এমন ২–৩টি আইডিয়া বেছে নিন এবং অক্টোবরেই সেগুলো বানিয়ে ফেলুন। তাহলে সেলের আগের সপ্তাহটা টেস্টিংয়ের জন্য হাতে থাকবে।
সম্পর্কিত আর্টিকেল
সব দেখুন